শনিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

শারীরিক সমস্যা নাকি মানসিক: কোমর ব্যথার রহস্য

শেয়ার করুন

কোমর ব্যথা মানসিক রোগ কি না—এর সরাসরি উত্তর সহজ নয়। যেমন নদী শুকিয়ে গেলেও তার পথ বা চিহ্ন থেকে যায়, তেমনি সামান্য ডিস্ক প্রলাপস বা অন্য কোনো শারীরিক কারণে তীব্র ব্যথা কমলেও মৃদু থেকে মাঝারি ব্যথা দীর্ঘকাল ধরে রয়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে, যদি একজন রোগীর কোমর ব্যথা সম্পর্কে অতিমাত্রায় নেতিবাচক ধারণা থাকে অথবা পারিবারিক ও সামাজিক চাপের কারণে মানসিক চাপ থাকে, তবে তার মনের ব্যথা ও শারীরিক ব্যথা একত্রিত হয়ে দীর্ঘস্থায়ী অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। এমন পরিস্থিতি ফাইব্রোমায়েলজিয়া রোগের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে।

চিকিৎসা ও করণীয়

কোমর ব্যথা যখন মনের সমস্যার সঙ্গে মিলিত হয়, মুক্তি পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে সঠিক পদক্ষেপে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

  • চিকিৎসা পদ্ধতি: রোগীকে সঠিক তথ্য দেওয়া এবং টার্গেটেড চিকিৎসা—যেমন থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ বা বিশেষ উপদেশ—দেওয়া প্রয়োজন।
  • রোগীদের সতর্কতা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মনগড়া বা ভুল তথ্যের দিকে বিভ্রান্ত না হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো তথ্য গ্রহণের আগে তার উৎস এবং প্রদানকারীর যোগ্যতা যাচাই করুন।

গবেষণায় দেখা গেছে, হাজার হাজার সুস্থ মানুষের এমআরআই করেও অনেকেই পিএলআইডি থাকলেও কোমর ব্যথা অনুভব করেন না। সুতরাং রোগীর সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাব, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা

সাম্প্রতিক খবর

এই বিভাগের আরও খবর