বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ: আধুনিক শিক্ষার এক অনন্য ঠিকানা

শেয়ার করুন

ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবনের ভিড়ের মাঝেও কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো নিজস্ব দর্শন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সুপরিকল্পিত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আলাদা একটি পরিচয় গড়ে তোলে। আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ তেমনই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষার্থীর নাম নিবন্ধনের পর থেকেই শুরু হয় তাদের আত্মবিশ্বাসী, নৈতিক ও আধুনিক মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার যাত্রা।

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছে একটি শক্তিশালী শিক্ষা ভিত্তি। ইংলিশ মিডিয়াম, ইংলিশ ভার্সন ও আধুনিক পাঠ্যধারা উভয়ের সমন্বয়ে এখানে শিক্ষা দেওয়া হয় সুসংগঠিত পরিকল্পনার মাধ্যমে। আলফ্রেড নামটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী আলফ্রেড নোবেলের আদর্শ মানবিকতা, জ্ঞানচর্চা ও শান্তির পথের দিশা।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়, বরং জ্ঞান-উপলব্ধির ছোট ছোট কর্মশালা। শিক্ষার্থীরা নিজের মতো করে শেখার সুযোগ পায়, শিক্ষকরা পাশে দাঁড়িয়ে তাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন।
শৃঙ্খলা, চরিত্রগঠন ও নৈতিক শিক্ষা এখানে পাঠ্যসূচিরই অংশ। নিয়মিত উপস্থিতি, পাঠচক্র, আলোচনাচক্র ও আচরণমূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নিজেকে গড়ে তোলে।

আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ-এর স্বপ্নদ্রষ্টা হাসানুজ্জামান মাসুদ একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি, যিনি অত্র এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। শিক্ষা নিয়ে তাঁর দূরদর্শী চিন্তা, নিষ্ঠা এবং অঙ্গীকার থেকেই এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম। তিনি বিশ্বাস করেন শিক্ষা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষকে সঠিক মূল্যবোধ, মানসিক বিকাশ এবং আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জনে সাহায্য করে।

হাসানুজ্জামান মাসুদ মূলত এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা লাভের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা এবং সংস্কৃতিবোধে সমৃদ্ধ হয়ে বড় হতে পারবে। তাঁর এই ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয় Alfred International School & College, যা আজ এ অঞ্চলের অন্যতম মানসম্মত ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশ, ভাষা দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক ক্লাসরুম, বিজ্ঞান ও কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা এ সবই তাঁর দূরদৃষ্টির প্রমাণ। পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে তাঁর বিশেষ নজর, যা প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা ও কার্যক্রমে প্রতিফলিত হয়।

সামাজিকভাবে তিনি একজন দায়িত্বশীল ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তি। স্কুলের প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর উপস্থিতি যেমন লক্ষ্য করা যায়, তেমনি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি দেখতেও তিনি অত্যন্ত আগ্রহী। শিক্ষার্থী,শিক্ষক,অভিভাবক,সবাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে একটি পরিবারভিত্তিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তিনি নিশ্চিত করেছেন।

হাসানুজ্জামান মাসুদ শুধু একজন প্রতিষ্ঠাতা নন; তিনি একজন শিক্ষানুরাগী, একজন পথপ্রদর্শক এবং অগ্রসর চিন্তার অধিকারী ব্যক্তি। তাঁর দিকনির্দেশনায় আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ আজ অত্র এলাকার শিক্ষার আলো ছড়ানো একটি সফল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের শুধু বইমুখী জ্ঞান নয়, বরং বাস্তবজ্ঞান ও সৃজনশীলতার বিকাশেও জোর দেওয়া হয়।
এখানে রয়েছে—

  • বিতর্ক ও কুইজ দল
  • বিজ্ঞান ও সাহিত্য ক্লাব
  • খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • শিক্ষাসফর ও ভ্রমণ
    নিজ নিজ প্রতিভা আবিষ্কার ও বিকশিত করার জন্য শিক্ষার্থীরা এই সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আনন্দের সঙ্গে।

আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বোর্ড Edexcel-এর পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আস্থা আরো সুদৃঢ় করেছে।

অভিভাবকদের মতে, এই প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানই করে না, বরং শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের উন্নতি ও চরিত্র গঠনে অত্যন্ত আন্তরিক। শিক্ষক-অভিভাবক যোগাযোগও খুবই স্বচ্ছ, যার ফলে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি সহজেই পর্যবেক্ষণ করা যায়।

এমন শিক্ষা দর্শন, সুসংহত ব্যবস্থাপনা ও যত্নশীল পরিবেশই আলফ্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজকে আজ ঢাকার অন্যতম উদীয়মান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যারা সন্তানকে আধুনিক, নৈতিক ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার উপযোগী পরিবেশে বড় করতে চান তাদের কাছে এটি এখন আস্থার একটি পরিচিত নাম।

সাম্প্রতিক খবর

এই বিভাগের আরও খবর