শুক্রবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

ফুলকপি-বাঁধাকপি চাষে সাফল্য, দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন চাষিরা

শেয়ার করুন

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শীতকালীন ফুলকপি-বাঁধাকপি চাষের ভরা মৌসুম চলছে। মাঠের পর মাঠজুড়ে সবুজে মোড়া বাঁধাকপি ও ফুলকপির সমারোহ যেন চোখ জুড়িয়ে দেয়। অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি বিভাগের সময়োপযোগী পরামর্শ এবং কৃষকদের অবিরাম পরিশ্রমে এবার কপির বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে।

মৌসুমি এই ব্যস্ততা স্থানীয় অর্থনীতিতে এনেছে নতুন উদ্দীপনা, যার সুফল সরাসরি পাচ্ছেন কৃষকরা।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও সমপরিমাণ জমিতে ফুলকপি (২৫ হেক্টর) ও বাঁধাকপি (৩০ হেক্টর) আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হতে পারে।

মাটিরাঙ্গার ওয়াছু এলাকার সফল কৃষক আবু তাহের ১ একর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করে দেড় লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। তিনি আশাবাদী, সঠিক ফলন হলে প্রায় ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রির আশা করছেন।গোমতী এলাকার কৃষক শামসুল হক বলেন, “ফলন ভালো হলেও সার-কীটনাশকের দাম বাড়ছে। অসময়ের বৃষ্টির ঝুঁকিও থাকে। তবু পরিশ্রম করে চাষ করেছি। পরিবহন খরচ কমালে কৃষকদের লাভ আরও বাড়ত।”তাইন্দং ইউনিয়নের কৃষক গনি মিয়া বলেন, “এবার বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়ায় আমাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সবুজ আলী বলেন, “কৃষকদের শুরু থেকেই আমরা উন্নত জাতের বীজ, সুষম সার ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই দমন এবং মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে আসছি। আবহাওয়া এ বছর কপি চাষের জন্য খুবই অনুকূল। আশা করছি, এবার ফুলকপি ও অন্যান্য শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকরা লাভবান হবেন।”

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফসল পরিচর্যা, উত্তোলন ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় প্রচুরসংখ্যক কৃষি শ্রমিকের কর্মসংস্থান তৈরি হওয়ায় সামগ্রিকভাবে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক খবর

এই বিভাগের আরও খবর