শুক্রবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

কুচিয়ার বাণিজ্যিক চাষে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

শেয়ার করুন


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন জোরেশোরে শুরু হয়েছে কুচিয়া মাছের বাণিজ্যিক চাষ। লাভজনক হওয়ায় কৃষক ও খামারিরা প্রচলিত মাছচাষের পাশাপাশি কুচিয়ার দিকে ঝুঁকছেন। উৎপাদন খরচ কম, বাজারদর স্থিতিশীল এবং দেশ–বিদেশে চাহিদা থাকায় এ খাত দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কুচিয়া স্থানীয়ভাবে ‘খনি মাছ’ নামেও পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ মাছ রোগ প্রতিরোধক্ষম, কম পানি ও স্বল্প জায়গায় সহজে বেঁচে থাকে। ফলে পুকুর, ডোবা, খাল–বিল কিংবা কৃত্রিম ট্যাংক—যেখানেই হোক কুচিয়া চাষ করা যায়। এতে পানি ব্যবস্থাপনা, সার–খাদ্য খরচও তুলনামূলক কম।

কুচিয়ার রপ্তানি সম্ভাবনাও উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে চীন, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে এ মাছের চাহিদা steadily বাড়ছে। দেশে দামের স্থিতিশীলতা এবং বিদেশে উচ্চমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা চাষিদের আরও উৎসাহিত করছে।

চাষিরা জানান, কুচিয়া রোগবালাইয়ে কম আক্রান্ত হয়, খাবার হিসেবে শামুক, কেঁচো, নরম খাবার বা প্রস্তুত ফিড দিলেই ভালো বাড়ে। মাত্র ছয়–আট মাসে বাজারজাত করা যায় এবং প্রতিবিঘায় উৎপাদনও সন্তোষজনক। এতে স্বল্প বিনিয়োগে দ্রুত লাভের সুযোগ তৈরি হয়।

কৃষি ও মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ বাড়ানো গেলে কুচিয়া চাষ দেশের নতুন একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতে পরিণত হতে পারে। স্থানীয় খামারির ভাষায়—“কম খরচে বেশি লাভ—এ কারণেই কুচিয়া চাষ এখন আমাদের নতুন ভরসা।”

সাম্প্রতিক খবর

এই বিভাগের আরও খবর