পটল একটি পুষ্টিকর ও কম ক্যালোরিযুক্ত সবজি। এতে ভিটামিন A, C, B, আঁশ ও খনিজ উপাদান রয়েছে। পটল হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি লিভার সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পাশাপাশি পটল ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ও চোখ ও ত্বকের জন্য ভালো। নিয়মিত পটল খেলে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে।পটল বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। এটি সহজলভ্য, সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। গ্রাম ও শহর—উভয় জায়গায়ই পটল দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
পটলের পুষ্টিগুণ
পটলে রয়েছে—
- ভিটামিন A
- ভিটামিন C
- ভিটামিন B (বিশেষ করে B₁ ও B₆)
- আঁশ (Dietary Fiber)
- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম
- অল্প পরিমাণে প্রোটিন
কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যসম্মত সবজি।
পটলের উপকারিতা
হজমশক্তি বৃদ্ধি করে
পটলের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পরিপাকতন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
পটলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
লিভার ভালো রাখে
পটল লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীরের টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন C শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ওজন কমাতে সহায়ক
কম ক্যালোরি ও বেশি আঁশ থাকার কারণে পটল ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
ত্বক ও চোখের জন্য ভালো
ভিটামিন A চোখের দৃষ্টি শক্তিশালী করে এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে।
ঔষধি গুণ
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় পটল জ্বর, কৃমি, লিভারের সমস্যা ও হজমজনিত রোগে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
পটল একটি সাশ্রয়ী, পুষ্টিকর ও উপকারী সবজি। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পটল অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর সুস্থ থাকে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে। তাই প্রতিদিনের খাবারে পটলের ব্যবহার বাড়ানো উচিত।


