ভোলা জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ পালন দিন দিন বাড়ছে, যা অনেক কৃষককে স্বাবলম্বী করছে। সমতল চর ভূমি ও জলাভূমির কারণে এখানে মহিষ পালন সহজ এবং উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কয়েকশ বছর ধরে চলমান এই ঐতিহ্যগত কর্মকাণ্ড এখন আধুনিক পদ্ধতির সাথে মিলিয়ে চলছে, যেখানে পরিবারগুলো একাধিক মহিষ পালন করে দুধ ও মাংস উভয়ই বাজারজাত করছে। মহিষ বাগানের সংখ্যা প্রতি বাটানে প্রত্যেকটি বিভা (ছোট খামার) প্রায় ২০০ থেকে ১,০০০ পর্যন্ত পৌঁছায়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে গঠনে সাহায্য করছে।
কৃষকের কথায়:
“এখানে মহিষ পালন আমাদের জীবিকার অন্যতম উৎস। দুধ দিয়ে আমরা প্রতিদিন আয় করি এবং বড়গুলো বিক্রি করে ভালো উপার্জন করছি,” — বললেন ভোলা সদর এলাকার এক কৃষক।
দেশজুড়ে মহিষের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে বাংলাদেশে মহিষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে, যেখানে ৩০ বছরের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ মহিষের সংখ্যা কমেছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো খাদ্য পরিচালনা কঠিন হওয়া, কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের অভাব, ও অন্য গবাদি পশুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা।
মহিষের দুধ ও মাংস উভয়ের চাহিদা বাড়ছে এবং এতে স্থানীয় খামারিদের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মহিষ পালন দীর্ঘমেয়াদি আয় ও পুষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচিত হলেও দেশজুড়ে সংখ্যা বজায় রাখতে সরকার ও খামারি সমন্বয়ের প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।


