দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে ফেরার মাত্র দুদিন পরেই অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর তিনি ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন। আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। মূলত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল আজ বিকেলে সিইসির কার্যালয়ে এই বৈঠকে মিলিত হন। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া। বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং এর অংশ হিসেবেই তিনি ভোটার হতে যাচ্ছেন। যেহেতু বর্তমানে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, তাই ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হবে, যা নিয়ে কমিশনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন এবং ভোটার হওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর রাজনীতিতে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে। দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, তাঁর সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং নির্বাচনি মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে তুলবে। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই তিনি দেশের মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে ফিরে আসছেন। বর্তমানে তাঁর আগমণ ও ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে প্রয়োজনীয় সব আইনি ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বিএনপি।


