কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নতি কৃষি খাতের উন্নতির ওপর নির্ভরশীল।
অঞ্চলভিত্তিক জাত উদ্ভাবন ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি আরও বলেন, কৃষির উন্নয়নে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলে কৃষিকে আমরা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবো।
ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান আজ গাজীপুরের ব্রি সদর দপ্তর মিলনায়তনে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ছয় দিনব্যাপী “বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা ২০২৪-২৫”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওসমান ভুইয়া, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।
এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিআইএমএমওয়াইটি)’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. ওয়েন ডানকান কালভার্ট এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. হোমনাথ ভান্ডারি।
কর্মশালায় গবেষণা অগ্রগতি এবং অর্জন ২০২৪-’২৫ উপস্থাপন করেন ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম।
ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্রি নিরলসভাবে কাজ করছে। ব্রি’র গবেষণা কার্যক্রম বিশ্বের কাছে উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভাতের মাধ্যমে পুষ্টি চাহিদা পূরণে ব্রি গবেষণা জোরদার করেছে।
কর্মশালায় ব্রি, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিএআরসি, ডিএই, ইরিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ পর্যন্ত ব্রি আটটি হাইব্রিডসহ মোট ১২১টি উফশী ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল এবং উন্নত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।


