আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। এতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টায় এই বিমানবন্দরের আরও ৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী ও প্রবাসফেরত যাত্রীরা।
রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় বিমানবন্দর জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিনে জানানো হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রবিবার সারাদিনে নিম্নলিখিত ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত একটি এরাইভাল ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যগামী ও আগত মোট দু’টি (একটি এরাইভাল ও অন্যটি ডিপার্চার) ফ্লাইট। এয়ার আরাবিয়া: এই সংস্থারও দু’টি (একটি এরাইভাল ও অন্যটি ডিপার্চার) ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিপর্যয়ের মধ্যেও রবিবার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটে ছয়টি এরাইভাল ও ছয়টি ডিপার্চারসহ মোট ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সচল ছিল।
তবে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনও কাটেনি। এই রুটগুলোতে ফ্লাইট চলাচল প্রায় বন্ধ বললেই চলে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লাইট বিপর্যয় শুরু হয়। রবিবার পাঁচটিসহ রবিবার পর্যন্ত এই বিমানবন্দর থেকে সর্বমোট ১৬৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর শিডিউল। ফ্লাইট নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস বা বিমানবন্দর হেল্পডেস্কে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


