শুক্রবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

রসুনের আচার: নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়ক

শেয়ার করুন

স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এখন নতুন করে জায়গা করে নিচ্ছে ঐতিহ্যবাহী রসুনের আচার। দেশজুড়ে বাজার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই আচারের চাহিদা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন বিক্রেতারা। পুষ্টিবিদদের মতে, রসুনের অপরিহার্য গুণাগুণ আচারেও বেশ ভালোভাবে বজায় থাকে, যা নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞরা জানান, রসুনে থাকা অ্যালিসিন নামক উপাদান দেহে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল সুরক্ষা দেয়। আচার হিসেবে সংরক্ষণ করলে এর স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনি হজমেও সহায়তা করে। নিয়মিত রসুনের আচার খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এমন মতই দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

এছাড়া রসুনের আচার গ্যাস, বদহজম ও পাচনতন্ত্রের সমস্যায় উপকারী বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। অনেকের মতে, খাবারের সঙ্গে সামান্য রসুনের আচার ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে এবং দেহে প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখে।

গ্রামের বাজারগুলোতে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি রসুনের আচার বিক্রি করে অনেকে এখন স্বনির্ভর হচ্ছেন। ক্রেতারা বলছেন, খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য উপকারিতাই তাদের বেশি আকৃষ্ট করছে।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, অতিরিক্ত লবণ বা তেল ছাড়া পরিমিত পরিমাণে রসুনের আচার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তাদের মতে, সঠিকভাবে সংরক্ষিত আচার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

সাম্প্রতিক খবর

এই বিভাগের আরও খবর