শীতের মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ডিমের জনপ্রিয়তা। সহজলভ্য ও পুষ্টিকর এই খাদ্যটি শীতে শরীর গরম রাখা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো—নানাভাবে উপকার দেয় বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞরা জানান, একটি ডিমে থাকে প্রায় ৬ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন–ডি, ভিটামিন–বি১২, আয়রন, জিঙ্কসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এগুলো শীতে শরীরের শক্তি ধরে রাখতে এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডিমে থাকা ভিটামিন–ডি হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং শীতকালে সূর্যালোক কম পাওয়া মানুষের জন্য এটি একটি কার্যকর বিকল্প। পাশাপাশি ডিমের কোলিন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়—যা শিশু ও বয়স্ক উভয়ের জন্যই উপকারী।
পুষ্টিবিদরা আরও জানান, শীত মৌসুমে ঠাণ্ডা-কাশি ও সংক্রমণ বেড়ে যায়। ডিমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে এসব রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া ডিম পেট ভরা রাখে বলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর।
ডিম সেদ্ধ, ভাজা বা অমলেট—যেভাবেই খাওয়া হোক, পুষ্টিমান প্রায় একই থাকে। তাই স্বাস্থ্য সচেতনরা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
শীতে সহজলভ্য, সস্তা ও পুষ্টিকর হওয়ায় ডিম এখন সকল বয়সী মানুষের জন্য একটি আদর্শ খাবার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


