বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় কড়া মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোই এখন রূপ বদলে এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন তারাই নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে। বিএনপি মহাসচিব দৃঢ়ভাবে বলেন যে, যারা দেশের জন্ম এবং স্বাধীনতাকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।
রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভায় তিনি আসন্ন নির্বাচনকে দুটি শক্তির লড়াই হিসেবে অভিহিত করেন—একটি বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি এবং অন্যটি পশ্চাৎপদ শক্তি, যারা অতীতে স্বাধীনতা ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের মানুষ কি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র বেছে নেবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তিকে বেছে নেবে?
মির্জা ফখরুল স্মরণ করেন যে, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, অর্থাৎ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল মূলত দেশের ভবিষ্যৎ হত্যা করার শামিল। তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন যে, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার অর্থ এই নয় যে নতুন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তিকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে, যারা দেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চায়।
তিনি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকার কথা উল্লেখ করেন এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে ২৫ তারিখে এমন এক সংবর্ধনা জানানোর আহ্বান জানান, যা বাংলাদেশে অতীতে কখনো দেখা যায়নি।


